সবুজ মনের রসদ
Ichchhamoti Logo

প্যালেস্টাইনের গাজা শহরের শেখ রাদওয়ান এলাকায় শিশু-কিশোরদের জন্য একটি বিশেষ সিনেমা বা চলচ্চিত্র দেখানোর আয়োজন করা হয়েছিল। তারিখটি ছিল ৩০শে আগস্ট, ২০২৬। তবে এটি কোনো চকচকে সিনেমা হল বা থিয়েটার ছিল না। চারপাশের ভাঙা বাড়িঘর, ধুলোবালি আর তাঁবুর মাঝখানে খোলা আকাশের নিচে একটি বড় পর্দায় দেখানো হচ্ছিল ছোটোদের অত্যন্ত প্রিয় সিনেমা 'দ্য লায়ন কিং' (The Lion King)।

গাজায় দীর্ঘদিন ধরে যুদ্ধ ও সংঘাত চলার কারণে সেখানকার ছোটোরা তাদের বাড়িঘর, স্কুল এবং খেলার জায়গা হারিয়েছে। তাদের প্রতিদিনের জীবন ভয় আর কষ্টে ভরা। এই কঠিন সময়ের মধ্যে 'লিটল উইংস সিনেমা' এবং 'মাশরাউয়ি ফান্ড'-এর উদ্যোগে এই সিনেমা দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়, যাতে ছোটোরা একটু আনন্দের খোঁজ পায়।

যখন বড় পর্দায় সিনেমাটি শুরু হয়, তখন এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখা যায়। চারপাশের দুঃখ-কষ্ট ভুলে গিয়ে ছোট্টো ছোট্টো দর্শকেরা সিনেমার চরিত্রদের দেখে হাসতে থাকে, আঙুল দিয়ে পর্দায় দেখাতে থাকে এবং আনন্দে মেতে ওঠে। কিছুক্ষণের জন্য হলেও তারা যুদ্ধের ভয় ভুলে গিয়ে আবার সাধারণ শিশুদের মতো হাসিখুশি হয়ে ওঠে। এই ঘটনাটি আমাদের শেখায় যে, পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, মানুষের ভেতরের বেঁচে থাকার ইচ্ছা আর স্বপ্ন দেখার ক্ষমতা কখনো হারিয়ে যায় না। চারপাশের এত ধ্বংসের মাঝেও শিশুদের মুখে এই হাসি যেন অন্ধকার রাতের পর ভোরের আলোর মতো এক নতুন আশার জন্ম দেয়।

ছবিটি তুলেছেন চিত্র-সাংবাদিক ওমর আশ্‌তাওয়ে [Omar Ashtawy (@omar_ashtawy) ]।

আমরা, ভারতের জনগণ, ভারতকে একটি সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্মনিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক, সাধারণতন্ত্র রূপে গড়ে তুলতে সত্যনিষ্ঠার সঙ্গে শপথগ্রহণ করছি এবং তার সকল নাগরিক যাতে : সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ন্যায়বিচার; চিন্তা,মতপ্রকাশ, বিশ্বাস, ধর্ম এবং উপাসনার স্বাধীনতা; সামাজিক প্রতিষ্ঠা অর্জন ও সুযোগের সমতা প্রতিষ্ঠা করতে পারে এবং তাদের সকলের মধ্যে ব্যক্তি-সম্ভ্রম ও জাতীয় ঐক্য এবং সংহতি সুনিশ্চিত করে সৌভ্রাতৃত্ব গড়ে তুলতে; আমাদের গণপরিষদে, আজ,১৯৪৯ সালের ২৬ নভেম্বর, এতদ্দ্বারা এই সংবিধান গ্রহণ করছি, বিধিবদ্ধ করছি এবং নিজেদের অর্পণ করছি।

ফেসবুকে ইচ্ছামতীর বন্ধুরা